শুক্র. সেপ্টে ২৫, ২০২০

দৈনিক আজকের বাংলাদেশ

সত্য প্রকাশে আপোষহীণ…

না’গঞ্জ বন্দরে আকিজ এখন জনগনের বিষফোঁড়া !!

আজকের বাংলাদেশ রির্পোট;-

আকিজ যখন তখন মানুষের জীবন কেড়ে নেয়,আকিজ সিমেন্টের ফ্লাই আশে হার্টে ব্লক দেওয়া,২৪ ঘন্টা পরিবেশ কে নষ্ট করা। ২৪ ঘন্টা আবাসিক এলাকা দিয়ে ভারি যানবাহন চলাচল( ট্রাক) করলেও দেখার যেন কেউ নেই। বেপরোয়া গতিতে ট্রাক চলাচল, যেখানে সেখানে গাড়ি পার্কিং দেখে মনে হয় কামাল উদ্দিনের মোড় হতে আকিজ কোম্পানি পর্যন্ত সকল জায়গাই যেন কোম্পানির ক্রয়কৃত জায়গা। প্রায় ২৫ টিরও বেশি স্কুল, কলেজ, কিন্ডারগার্ডেন, মসজিদ, মাদ্রাসা রয়েছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র ছাত্রী নাক মুখ দিয়ে প্রবেশ করছে সিমেন্টের আশ,সকল প্রকার বৃক্ষ ধংস হয়ে যাচ্ছে। সবচেয়ে আরো অবাক করে যে এলাকার লোকজন ক্ষতির কবলে সে এলাকার সন্তানরা চাকুরী পাবেনা। অথচ পরবর্তি প্রজন্মে কে হুমকির মুখে ফেলে আবাসিক এলাকাকে শিল্প এলাকায় পরিনিত করছে। সিমেন্ট কম্পানী,গ্যাস কম্পানী,সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ফয়দা লুটে নিচ্চে,যা দেখাশুনা করার জন্য ঘুটি কয়েক দালাল নেতাদের মাসিক ভাতায় বিবেক বিক্রি করে দিচ্ছে। আর সেটা ভোগ করছে সাধারন জনগন। জরিপ সূত্রে বাংলাদেশের বন্দর থানায় চার পাশ ঘিরে সবচেয়ে বেশি সিমেন্ট কম্পানী।

মানবাধিকার কমিশন ও নাগরিক কমিটি বন্দর নেতারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলে, নামের সিটি করপোরেশন সচেতন নাগরিকরা জানে না,আমাদের মাননীয় মেয়র, ও মাননীয় সংসদ এমপি মহদোয় এর একটা বিহিত করতে পারেন সেটা আমরা জনগন তাদের কে বলি না, এটা আমাদের ব্যার্থতা,ছুটকা নেতারা টাকার লুভি, তাই বলে সবাই না,জনগন সকল শক্তির উপরে,অবশ্যই মাননীয় মেয়র, ও মাননীয় এমপি মহদোয় এর একটা সমাধান করতে পারেন।যদি আমরা জোরালো ভাবে চাই। তা না হলে আমাদের আগামীর সন্তানরা জন্মের আগেই নানা রোগ বহন করেই পৃথিবীতে আসবে। আকিজ আমাদের কলিজার ভিতর বসে বসে শেষ করে দিচ্ছে। ভবিষ্যত প্রজন্মকে বাঁচাতে প্রতিবাদ চরম প্রতিবাদ প্রয়োজন। মাথার উপর কাঠাল ভেঙ্গে খাওয়া বন্দরের মানুষগুলো আজ বুঝছে না তবে একদিন বুঝবে পরাধীনতা যে কি!!! সচেতন নাগরিকরা আর সুশিল সমাজ আজ অন্ধের ভূমিকায় নিচ্চুপ।

আকিজ কোম্পানির অজাতব যন্ত্রনা যেন আরো বাড়ছে। আগে শুধু সিমেন্টের ট্রাক চলাচল করলেও এখন তা বেরে তিনগুন হয়েছে। আকিজ সিমেন্ট যে পরিমান উৎপাদন হত বর্তমানে তা দ্বিগুন হয়েছে। সরকারের নিষেধাঙ্গা অমান্য করে সিমেন্ট উৎপাদনের পরিমান দ্বিগুন করেছে। মোসাদেক আলী ফালুর ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান সিমেন্ট কোম্পানির কাজটি করে দেয়। তারপর আবার ময়দা উৎপাদন চলছে। যার কারনে ট্রাকের পরিমান তিনগুন হয়েছে। ট্রাকের পরিমান এমনই বেরেছে যে, নিজস্ব স্ট্যান্ড করেছে বাগবাড়ি পুরান পুল সংলগ্ন এলাকায়। রাতে ট্রাক স্ট্যান্ডে ট্রাক, লরি রাখা হয়। আর সকাল হলেই নিয়মিত চলাচলরত ট্রাক ছাড়াও স্ট্যান্ডের ট্রাক ওই রাস্তা দিয়েই কোম্পানিতে যায় এবং মাল নিয়ে যায়। যানবাহনের পরিমান বাড়লেও বাড়েনি রাস্তার সংখ্যা। একই রাস্তা দিয়ে যাওয়া-আসার কারনে ট্রাকের অজাতব যন্ত্রণা ও দূর্ঘটনার কবলে পড়তে হচ্ছে পথচারীদের। সার্বিক বিষয়টি বিবেচনা পূর্বক আকিজ কোম্পানির অজাতব যন্ত্রণার কবল থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য স্থানীয় সাংসদ সেলিম ওসমান ও নাসিক মেয়র ডাঃ সেলিনা হায়াত আইভীর জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগীরা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Like us on Facebook