শনি. সেপ্টে ২৬, ২০২০

দৈনিক আজকের বাংলাদেশ

সত্য প্রকাশে আপোষহীণ…

শ্বশুরের শেল্টারে ধরাকে সরা জ্ঞান জামাতার!!

স্টাফ রিপোর্টার :-

কে এই দুর্ধর্ষ দিপু?

ফতুল্লা রেললাইন এলাকাসহ আশপাশের পাড়া মহল্লার বিভিন অনুষ্ঠানে নাচ পরিবেশন করে জীবিকা চালাতো দিপু। নাচ করতে করতে এক সময় সে বিয়ে করে ফতুল্লার শিবু মার্কেটের কুতুবআইল এলাকার একজনকে। শ্বশুরের শেল্টারে ক্রমশ বেপরোয়া হয়ে উঠছেন তিনি।

দুর্ধর্ষ দিপুর খুঁটির জোড় কোথায়?

জানা গেছে, ২০০১ সালে ফতুল্লার কুতুবআইল ইরান টেক্সটাইল এলাকায় মো. সোলেমান নামে এক ব্যবসায়ীকে গুলি করে হত্যা করা হয়। সেই মামলার আসামী ছিলেন দিপুর শ্বশুর আমির হোসেন। ২০০৫ সালে আদালত মামলা থেকে মুক্তি দেয় আমির হোসেনকে।

২০০৮ সালের নির্বাচনে সংসদ হয় সারাহ বেগম কবরী। সেই সময় কবরীর ক্যাডার হিসেবে বেশ পরিচিত ছিলো ফতুল্লা রেল লাইন এলাকার জাহিদুল ইসলাম জনি। তার সহযোগি হিসেবে কাজ করতো সেই দিপু। বদল হয়েছে কবরীর সেই সাথে বদল হয়েছে তাদেরও সম্প্রতি তাদের দুইজনের বিরুদ্ধে জমি দখলের অভিযোগ উঠে। ওই ঘটনায় জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের কাছে অভিযোগও দায়ের করা হয়।

সূত্রে জানা গেছে, রেল লাইন এলাকার এস বি নিট কম্পোজিটের ডাইংয়ের পাশে থাকা ৭১ শতাংশ জমি জোরপূর্বক দখল করে রেখেছে জনি। তার পরার্মশ দাতা হলো দিপু। তবে এস এম দিপু পূর্বে জানিয়েছিল যে কারখানাটি নিয়ে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ সে কারখানাটি তিনি ভাড়া নিয়েছেন। পাশের জমির মালিক মৃত সোহেল সাহেবের স্ত্রীর কাছ থেকে ভাড়া নিয়েছেন জমি। তবে মৃত সোহেলের স্ত্রী নারায়ণগঞ্জ প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে বলেনি যে সেই জমি তার স্বামীর।

ওই জমির মালিকানা দাবিকারী মৃত মহিউদ্দিনের মেয়ে সাংবাদ সম্মেলনে বলেছিলেন, তার বাবা মারা যাওয়ার পর তাদের ৪১ শতাংশ জায়গা দিপু সাহায্যে জোরপূর্বক দখল করে জনি। তারা বিভিন্ন ভাবে ভয়ভীতি দেখিয়ে হুমকি দেয় নানা সময়। এ বিষয়ে পুলিশ ও প্রশাসনের সহযোগিতা চেয়েছিলেন নারায়ণগঞ্জ প্রেস ক্লাবে। পরের সংবাদ সম্মেলনে জনিকে দেখা গেলও দিপু এসেনি। কারন পরার্মশ দাতা। তার পরামর্শে সব বদল হয়ে গেছে বলে জানান মৃত মহিউদ্দিনের মেয়ে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Like us on Facebook