জুলাই ২৭, ২০২১

দৈনিক আজকের বাংলাদেশ

সত্য প্রকাশে আপোষহীণ…

নাঃগঞ্জে বন্দরে সোনাকান্দা কিল্লা জামে মসজিদের ইমাম নিয়ে সংঘর্ষ, আহত-৪

আজকের বাংলাদেশ রিপোর্টঃ-

বন্দরে সোনাকান্দা কিল্লা জামে মসজিদের ইমামকে কেন্দ্র করে দু’গ্রুপের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনায় ৪ জন আহত হয়েছে।

শুক্রবার (২ এপ্রিল) বাদ জু’আ বন্দর সোনাকান্দা কিল্লা জামে মসজিদে ঘটনাটি ঘটে এতে আহত হয়েছেন, মসজিদের মোতয়াল্লী সিরাজ মুন্সি (৬৫), মুসল্লী আলতাফ (৫০), জালাল মিয়া(৫০), ফয়সাল(২৫)।

পরে আহতদের জখম অবস্থায় উদ্ধার করে সংশ্লিষ্ট হাসপাতালে প্রেরণ করেছে। সংঘর্ষের ঘটনার সংবাদ পেয়ে বন্দর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে।

এর আগেও সোনাকান্দা কিল্লা জামে মসজিদের ইমাম হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ নারায়ণগঞ্জ মহানগর শাখার ২১নং ওয়ার্ডের সভাপতি মাওলানা সাইফুল্লাকে মসজিদেও উন্নয়ন কমিটি লিখিত ভাবে অব্যাহতি দিয়ে থাকেন। এবং তার বিরুদ্ধে প্রশাসনিক বিভিন্ন দপ্তরে স্মারকলিপি দেয়া হয়। এমনকি ইমামকে মসজিদ থেকে চলে যাওয়ার জন্য উকিল নোটিশ পাঠানো হয়েছিল।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, সম্প্রতি বন্দরের সোনাকান্দা কিল্লা জামে মসজিদের ইমাম মাওলানা সাইফুল্লা বয়ানে মসজিদে মুসল্লীদের মাঝে মতবিরোধ সৃষ্টি হয়। পরে তারা ইমাম সাইফুল্লাকে অব্যাহতি প্রদানের জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দেয়। এতে করে মসজিদ কমিটি মাওলানা সাইফুল্লাকে গত ৩ দিন পূর্বে পাওনা বেতন দিয়ে তাকে অব্যাহতি প্রদান করে। এ ঘটনার জের ধরে জেলা ছাত্র সমাজের সাধারণ সম্পাদক ফয়সাল সহ হেফাজত ইসলামের নেতা ইমাম তিনি তার বাহিনী নিয়ে জুম্মার নামাজের ইমামতি করার চেষ্টা চালায়। তখন জাতীয় পাটির নেতা আজিজুল ইসলাম প্রতিবাদ করলে ইমাম সাইফুল্লার সন্ত্রাসী বাহিনীর মধ্যে হট্টোগোল হলে মজজিদের ভেতর হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এক পর্যায়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে হেফাজত ইসলামেন নেতা ইমাম সাইফুল্লার বাহিনী। এতে মসজিদের মোতয়াল্লী, মুসল্লীসহ ৪জন রক্তাক্ত জখম হয়। পরে পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে জুম্মার নামাজ পড়তে আসা মুসুল্লিদের মধ্যে।

খবর পেয়ে বন্দর থানার সেকেন্ড অফিসার মোদাচ্ছেরের নেতৃত্বে পুলিশের একটি টিম ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনেন।

হেফাজত পন্থী ইমামকে অব্যাহতি দেওয়ার ঘটনায় উভয় পক্ষের মধ্যে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে বলে জানা গেছে। পরে বন্দর উপজেলা পরিষদের সহকারি (ভূমি) কমিশনার আসমা সুলতানা নাসরিন ও স্থানীয় কাউন্সিলর হান্নান সরকার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Like us on Facebook