দৈনিক আজকের বাংলাদেশ

সত্য প্রকাশে আপোষহীণ…

নারায়ণগঞ্জের বন্দরে সরকারি খাল দখলের অভিযোগ বাদল ও পুতুলের বিরুদ্ধে

আজকের বাংলাদেশ ডেস্ক:-

রেড জোন নারায়ণগঞ্জে করোনাভাইরাসের প্রকোপ দিনদিন বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং বাড়ছে মৃত্যুর মিছিল। ঠিক সেই আতঙ্কের মুহূর্তে বন্দর উপজেলার কুশিয়ারা এলাকায় ভাঙগা ব্রীজ সংলগ্ন সরকারি খাল দখলের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এলাকার বাদল ও পুতুলের বিরুদ্ধে।

বুধবার ২২ এপ্রিল বন্দর কুশিয়ারা এলাকায় সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বাদল মিয়ার ব্যাক্তি মালিকানা জায়গাসহ সরকারি খালে বাধ নির্মাণ কাজ করে যাচ্ছে । এবং উত্তরে পাশে প্রায় ১শ’ গজ সামনে বালু ভরাট করে দেয়াল নির্মাণ করেছে পুতুল।

এদিকে, সরকারি খাল দখল করে বাধ নিমার্ণ কাজে দায়িত্বে থাকা নুর হোসেন সাংবাদিকদের জানান বাধ নিমার্ণের বিষয়টি অবগত রয়েছেন বন্দর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এহসান উদ্দিন ও ৮নং ওয়ার্ডের মেম্বার আব্দুল সালাম।

এসব অভিযোগের বিষয়টি অস্বিকার করে বন্দর ইউনিয়ন পরিষদের ৮নং ওয়ার্ডের মেম্বার আব্দুল সালাম সাংবাদিকদের বলেন, সরকারি খালে বাধ নিমার্ণ করার বিষয়টি আমি অবগত নই, আমি একটি জরুরি কাজে রিক্সা দিয়ে যাচ্ছিলাম পরে বাধ নির্মাণ করতে দেখে নিষেধ করে গিয়েছি।

স্থানীয়রা জানান, কুশিয়ারা এলাকার এই খালের জায়গা দখল করে অনেকেই বাড়ি করে ফেলেছে। এই এলাকার বাদল তিনিও ব্যাক্তি মালিকানাধীন জায়গাসহ খালের উপর বাধ নির্মাণ করে যাচ্ছে মাছ চাষ করার জন্য। সামনে পুতুলও খালের জায়গা দখল করে বাড়ি করে ফেলেছে এবং রাস্তার উপরের দেয়াল নির্মাণ করছে। এভাবে দখল হয়ে যাওয়ায় কৃষি কাজের জন্য ক্ষতি হচ্ছে বলে জানান এলাকাবাসী।

বালু ভরাট করে দেয়াল নির্মাণের অভিযোগের বিষয়ে পুতুল বলেন, আমার জায়গা ধরেন সরকারি জায়গা সবাই ব্যবহার করছে তাই আমিও করছি। সরকার যখন নিয়ে যায় যাবে আমার সমস্যা নেই। বন্দর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এহসান উদ্দিন আপনাকে নাকি বলছিলেন এখানে একটি ব্রীজ করার জন্য এর জবাবে পুতুল বলেন চেয়ারম্যান সাহেব তো এখানে আসেই নাই।

এ ব্যাপারে বন্দর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এহসান উদ্দিন বলেন, আমি এ বিষয়ে অবগত নই, আপনারা মাটি কেটে খাল পরিস্কার করে ফেলেন। পুতুলের বাড়ির বিষয় তিনি বলেন আমি তাদের বলেছিলাম বাড়ি করার সময় খালের উপরে ব্রীজ করে নিতে। তারা ব্রীজ করার নামে রাতারাতি বালু ভরাট করে ফেলবে জানা ছিলনা। সরকারি জায়গা কেউ দখল করতে পারবে না আমি ভেকু লাগিয়ে সব ভেঙে পরিস্কার করবো বলে জানান তিনি।

এ বিষয় বন্দর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শুক্লা সরকার বলেন, আসলে এটা সরকারি জায়গা কি না আমি সঠিক জানি না। এখন বন্দর ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা নেই বিষয়টি যে জানবো। আমি অভিযোগ পেয়েছি তবে লোক পাঠিয়ে দেখবো এটা সরকারি জায়গা কি না, যদি সরকারি জায়গায় হয় তাহলে তাদের বিরুদ্ধে আমি ব্যবস্থা নিবো।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Like us on Facebook