সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২১

দৈনিক আজকের বাংলাদেশ

সত্য প্রকাশে আপোষহীণ…

বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রীর ছবি সম্বলিত ব্যানার গুড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ মাসুদ কামালের বিরুদ্ধে!

এমডি অভিঃ-

নারায়ণগঞ্জে বন্দরে নাসিক ২২নং ওয়ার্ডে ১নং সেন্ট্রাল খেয়াঘাটস্থ শীতলক্ষ্যা নদীর তীরে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করার নামে বিআইডব্লিউটিএ নারায়ণগঞ্জ নদী বন্দরের যুগ্ম পরিচালক শেখ মাসুদ কামালের নির্দেশনায় একটি ভেকু (এক্সাভেটর) দিয়ে বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রী এবং এমপি সেলিম ওসমান ও শামীম ওসমানের ছবি সম্বলিত ব্যানার ভেঙে গুড়িয়ে মাড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

রোববার ৪ সেপ্টেম্বর সকালে আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের পোষ্ট করা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওতে দেখা যায় বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রী এবং এমপি সেলিম ওসমান ও শামীম ওসমানের ছবি সম্বলিত ব্যানার ভেঙে গুড়িয়ে মাড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে।

জানা গেছে, আসন্ন ডিসেম্বরে নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। সিটি নির্বাচন উপলক্ষে নাসিক ২২ নং ওয়ার্ডের বিভিন্ন এলাকায় ব্যানার টানানো হয়। এর পাশাপাশি বন্দর ১ নং সেন্ট্রাল খেয়াঘাটস্থ শীতলক্ষ্যা নদীর পাড়ের সামনে বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রী এবং এমপি সেলিম ওসমান ও শামীম ওসমানের ছবি সম্বলিত একটি ব্যানার টানায় বন্দর থানা যুবলীগের নেতাকর্মীরা।

এ বিষয়ে বন্দর থানা যুবলীগ নেতা রাজু আহাম্মেদ জানান, আমরা অবৈধ উচ্ছেদকে সাধুবাদ জানাই কিন্তু উচ্ছেদের নামে বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রী এবং এমপি সেলিম ওসমান ও শামীম ওসমানের ছবি সম্বলিত ব্যানার ভেঙে দিয়ে কি বুঝাতে চান পোর্ট অফিসার মাসুদ কামাল, কার ইন্ধনে এধরণের দুঃসাহসিক কাজ করেছে? সে কি বিএনপি-জামায়াতের এজেন্ডা হয়ে কাজ করছে, বন্দর থানা যুবলীগের পক্ষ থেকে এ ঘটনায় আমরা এর তীব্র নিন্দাও প্রতিবাদ জানাই। এবং সঠিক তদন্ত করে মাসুদ কামালের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে নারায়ণগঞ্জ আওয়ামীলীগের অভিভাবক জননেতা এ কে এম শামীম ওসমান ভাইয়ের প্রতি অনুরোধ জানাচ্ছি।

এ ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর থেকে সবত্র যুবলীগের নেতাকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে।

এ বিষয়ে বিআইডব্লিউটিএ নারায়ণগঞ্জ নদী বন্দরের যুগ্ম পরিচালক শেখ মাসুদ কামালের মুঠোফোনে ফোন করলে পরিচয় পাওয়ার পর, অন্য একজন কে ফোনটি দিয়ে দেন তিনি সে ব্যাক্তি কে পরিচয় জিজ্ঞেস করলে পরিচয় না দিয়ে সংযোগটি বিচ্ছিন্ন করে দেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Like us on Facebook