জুলাই ২৯, ২০২১

দৈনিক আজকের বাংলাদেশ

সত্য প্রকাশে আপোষহীণ…

বন্দরের লালখারবাগে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে হামলায় আহত-৩

আজকের বাংলাদেশ রিপোর্টঃ-

নাসিক ২৭নং ওয়ার্ড এর (বন্দরের) লালখারবাগ এলাকায় জমি সংক্রান্ত পূর্ব শত্রুতার জের ধরে গত শনিবার প্রতিপক্ষরা দেশীয় অস্ত্র শস্ত্রে সজ্জিত হয়ে অতর্কিত হামলা চালিয়ে ওয়াসিম আকরাম সহ ৩জনকে আহত করেছে বলে খবর পাওয়া গেছে। মারাত্মকভাবে আহত ওয়াসিম উক্ত এলাকার ফরিদ আহমেদের ছেলে। এ ঘটনায় ওয়াসিম গণমাধ্যমকে জানান ১. রহমত ২. মোহাম্মদ উল্লাহ ৩. শফিউল্লাহ সর্ব পিতা: হানিফ, ৪. শোভা স্বামী মোহাম্মদ উল্লাহ, সর্ব সাং-লালখারবাগ তারা খারাপ প্রকৃতির লোক। জায়গা সম্পত্তি নিয়ে তাদের সাথে পূর্ব থেকেই বিরোধ চলছিলো। কুড়িপাড়া মৌজাস্থ ৩.৫০ শতাংশ নাল জমি ২০০২ সালে ক্রয় সূত্রে আমরা মালিকানা গ্রহণ করি। যার রেকর্ডে আমাদের নাম বিদ্যমান। কিন্তু প্রতিপক্ষরা ওয়ারিশ সূত্রে উক্ত জমির মালিকানা দাবী করে আসছে। এ বিষয় নিয়ে সামাজিকভাবে বিচার সালিশীর মাধ্যমে নিস্পত্তি করার জন্য বিচারকগণ চেষ্টা চালালেও তাদের অসহযোগিতার কারণে তা সম্ভব হয়নি। নিস্পত্তি হবার আগে প্রতিপক্ষরা উক্ত জমিতে বালু ভরাট করতে পারবেনা বিচারকদের এমন সিদ্ধান্ত দেয়ার পরেও এ পর্যন্ত তারা ৩বার বালু ভরাটের চেষ্টা চালায়। বিচারকদের নির্দেশনা অমান্য করে শনিবার সকাল ৮টায় তারা বিভিন্ন বহিরাগত সন্ত্রাসীদের সাথে নিয়ে দেশীয় অস্ত্র শস্ত্রে সজ্জিত হয়ে উক্ত জমিতে বালু ভরাট করতে থাকে। বিষয়টি জানতে পেরে আমি সেখানে উপস্থিত হয়ে বাধা প্রদান করলে তারা সহ আরও অজ্ঞাত কয়েকজন আমার উপর হামলা চালায়। মারধরের এক পর্যায়ে তারা আমাকে ধরে রাখলে প্রতিপক্ষ শোভা ইট দিয়ে আমার মাথায় আঘাত করলে মাথা ফেটে রক্ত ঝরতে থাকে এবং প্রতিপক্ষের অন্যরা আমার ডান হাতে প্রচন্ড পরিমাণে আঘাত করলে আমার হাতে অনেক ব্যাথা অনুভূত হতে থাকে। তাছাড়া তারা আমার উপর হামলা চালিয়ে সমগ্র শরীর নিলাফুলা ঝখম করে। আমাকে রক্ষা করতে আমার পরিবারের লোকজন এগিয়ে আসলে তাদের উপরেও হামলা চালানো হয়, তখন আমার মা ফাতেমা বেগম ও বোন ময়না আক্তার আহত হয়। পরে জরুরী সেবা ৯৯৯ এ ফোন দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছান এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়। পুলিশ দেখে তারা ও তাদের ভাড়াটে সন্ত্রাসীরা দৌড়ে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে স্থানীয়রা আমাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য বন্দর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে ভর্তি করেন। বর্তমানে আমাদের পরিবারের লোকজন চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভূগছে ও আমি বর্তমানে অসুস্থ হয়ে আছি। সুস্থ হয়ে আমি বন্দর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করবো।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Like us on Facebook