দৈনিক আজকের বাংলাদেশ

সত্য প্রকাশে আপোষহীণ…

বন্দরে নারী নির্যাতন মামলার আসামীদের আশ্রয় ও প্রশ্রয়দাতা কে এই নাজমুল?

আজকের বাংলাদেশ রিপোর্টঃ-

বন্দর থানার কুড়িপাড়া কুটিরবন এলাকায় একটি বাড়ির মালিকের স্ত্রীকে নিয়মিতভাবে উত্তক্ত করা, বাড়ির ভাড়াটিয়াদের সাথে খারাপ আচরণ করা, ১৪ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবী করা ও উক্ত নারীকে নির্যাতন করার অভিযোগ এনে ভূক্তভোগী নারী শাহানারা আক্তার বাদী হয়ে ১. সানিল ও ২. অপূর্ব উভয় পিতা-আনোয়ার হোসেন, ৩. মাহফুজ ও ৪. তামিম উভয় পিতা-পিয়ার আলী, ৫. সাত্তার পিতা-সানাই, সর্বসাং কুড়িপাড়া কুটিরবন, ৬. আরিফ পিতা-অজ্ঞাত সাং-বটতলা, ৭. কালাম, ৮. আলম, উভয় পিতা-আবুল হাসেম, ৯. সাগর পিতা-আমির হোসেন, সর্বসাং কুড়িপাড়া কুটিরবন, ১০. হাফিজ, পিতা-আঃ রাজ্জাক, সাং-ভাংতি, সর্ব থানা-বন্দর, জেলা-নারায়ণগঞ্জকে বিবাদী করে বন্দর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন এবং অভিযোগের ভিত্তিতে বিবাদীদের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা রুজু হয়েছে। মামলা নাম্বার-২৩ তারিখ: ২১/০৯/২০২১ইং। এদিকে মামলার আসামী অপূর্ব ও হাফিজকে গ্রেফতার করে তাদেরকে আদালতে চালান করা হয়েছে এবং অন্যান্য আসামীদেরকে গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত আছে বলে জানা গেছে। ভূক্তভোগীর স্বামী হাজী আক্তার হোসেন সাংবাদিকদের কাছে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, সন্ত্রাসী, মাদক ব্যবসায়ী, চাঁদাবাজ ও নারী নির্যাতন মামলার আসামীদের আশ্রয় ও প্রশ্রয় দিচ্ছে নাজমুল নামের এক ব্যক্তি। নাজমুল সে আসামী সানিল ও অপূর্বের চাচা। নাজমুল ও আনোয়ার হোসেন তাদের পিতা কালাচাঁন বেপারী। তাদের বাড়ি ছিলো ময়মনসিংহে। কালাচাঁন বেপারী ও তার ভাই বিভিন্ন জায়গায় ডাকাতি করতো এবং ডাকাতি সহ বিভিন্ন মামলা মোকদ্দমায় জড়িয়ে পড়লে তারা এলাকা থেকে পালিয়ে ১৯৬৯ সালে কুড়িপাড়া বাজারে এসে স্থান নেয় এবং এখানে কুলির কাজ করতো। তখন কুড়িপাড়া এলাকায় তারা বসতি গড়ে তোলে। নাজমুল মাদ্রাসায় লেখাপড়া করার সময় বিভিন্ন জঙ্গী সংগঠনের সাথে সম্পৃক্ত ছিলো। বাংলাদেশ টেক্সটাইলের ভিতরের একটি মসজিদ ভেঙ্গে অন্যত্র সরিয়ে নেয়ার কথা বলে রূপায়ন কোম্পানীর কাছ থেকে ৩০ লক্ষ টাকা নেয়। কিন্তু সরকারি জায়গায় মাত্র ২ লক্ষ টাকা খরচ করে মসজিদ নির্মাণ করে। কয়েক বছর পূর্বে কুড়িপাড়া খোদাইবাড়ি জামে মসজিদের খতিব একজন বিশিষ্ট আলেমকে নিয়ে কটুক্তি করায় এলাকাবাসী তাকে গণধোলাই দিয়ে অর্ধমৃত অবস্থায় রাস্তায় ফেলে রাখে। কিছুদিন হাসপাতালে ভর্তি থাকে এবং আত্মগোপনে চলে যায়। গ্রামবাসীর হাতেপায়ে ধরে এলাকায় প্রবেশ করে। ৫ লক্ষ টাকার চেক ডিজঅনার মামলার আসামী নাজমুল। সে আমাদের দায়ের করা মামলার আসামীদের আশ্রয় ও প্রশ্রয় দিচ্ছে এবং আমাদের মামলাটি ভিত্তিহীন বলে এলাকাবাসীকে বলে বেড়াচ্ছে। এই মামলার অন্যান্য আসামীদেরকে দ্রুত গ্রেফতার করতে এবং এই ভন্ড মাওলানা নাজমুলের বিরুদ্ধেও যথাযথ ব্যবস্থা নিতে প্রশাসনের নিকট জোড়ালো অনুরোধ জানাচ্ছি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Like us on Facebook