সোম. সেপ্টে ২৮, ২০২০

দৈনিক আজকের বাংলাদেশ

সত্য প্রকাশে আপোষহীণ…

হামলার শিকার না হয়েও ছাত্রদল নেতার মিথ্যা বিবৃতি, সমালোচনার ঝঁড়

আজকের বাংলাদেশ ডেস্ক:-

নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি মোহাম্মদ উল্ল্যাহ লিটন গত ১ই জুন সোমবার আড়াইহাজারে জিয়াউর রহমানের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে যুবলীগ ও ছাত্রলীগের সন্ত্রাসী বাহিনীর হামলার শিকার না হয়েও মিথ্যা বিবৃতি প্রধান করিয়েছেন। মুলতঃ কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সভাপতি ফজরুল রহমান খোকন ও সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন শ্যামলের নজরে আসতে মিথ্যা নাটক সাজিয়েছেন। তবে এঘটনায় নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্রদল থেকে শুরু করে আড়াইহাজারে তৃনমূল নেতাকর্মীদের মাঝে সমালোচনার ঝঁড় বৈছে।

এদিকে, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের সন্ত্রাসী বাহিনীর হামলায় আহত ছাত্রদলের কর্মীরা জানান, নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি মোহাম্মদ উল্ল্যাহ সেদিন অনুষ্ঠান থেকে পালিয়ে গেছে। তিনি যদি পালিয়ে না যেতো তাহলে আমরা হয়তো অনেকটাই হামলার শিকার হতে বেঁচে যেতাম। তিনি হামলার শিকার না হয়েও কেন্দ্রে থেকে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক কে দিয়ে মিথ্যা বিবৃতি প্রধান করিয়েছে। অামরা তার এরকম ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। সেই সাথে মোহাম্মদ উল্ল্যাহ বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ভাবে ব্যবস্থা নেয়ার জোর দাবী জানাচ্ছি।

অপর দিকে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক জেলা ছাত্রদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি মোহাম্মদ উল্ল্যাহ লিটনসহ বিএনপির অঙ্গ সংগঠনের আরও অর্ধশত নেতাকর্মীদের উপর যুবলীগ, ছাত্রলীগের গুন্ডা বাহিনীর হামলায় তীব্র নিন্দা প্রতিবাদ জানিয়েছেন।

এ বিষয় নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সম্পাদক মো. রফিক বলেন, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে যুবলীগ, ছাত্রলীগের হামলার ঘটনার পূর্বেই জেলা ছাত্রদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি মোহাম্মদ উল্ল্যাহ অনুষ্ঠান থেকে পালিয়ে গেছে। মূলতঃ তার জন্যই ছাত্রদলের কর্মীরা হামলার শিকার হয়েছেন এবং আড়াইহাজার বিএনপির অভিভাবক নজরুল ইসলাম আজাদ। মোহাম্মদ উল্ল্যাহ যদি পালিয়ে না যেতেন তাহলে কর্মীরা হয়তো যুবলীগ, ছাত্রলীগের সন্ত্রাসী বাহিনীর হাত থেকে রেহাই পেতে। মোহাম্মদ উল্ল্যাহ যদি হামলার শিকার হতো তাহলে প্রমান থাকতো। এছাড়াও তিনি কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের নজরে আসতে হামলার শিকার না হয়েও কেন্দ্রে থেকে সংসদের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক কে দিয়ে মিথ্যা বিবৃতি প্রধান করিয়েছেন। এরকম নাটকীয় ঘটনায় তীব্র নিন্দা প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

এ বিষয় নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সভাপতি মো. মশিউর রহমান রনি বলেন, সেদিন প্রোগ্রামে মোহাম্মদ উল্ল্যাহ উপস্থিত ছিলো, সেখানে যুবলীগ ও ছাত্রলীগ ছাত্রদলের নেতাকর্মী উপর হামলা চালিয়েছে। সেখানে অনেকে ছাত্রদলের ছেলেরা অাহত হয়েছে সাথে মোহাম্মদ উল্ল্যাহ মাইর খেয়েছে। হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়ে একটি বিবৃতি দেয়া হয়েছে। এছাড়া যে সকল ছাত্রদলের কর্মীরা অাহত হয়েছেন তাদের কোন পদপদবী নেই এবং সেখানে হামলার শিকার হয়েছেন বিদায় মোহাম্মদ উল্ল্যাহ নামসহ উল্লেখ করা হয়েছে। যারাই এখন বলতেছে মোহাম্মদ উল্ল্যাহ পালিয়েছে, এ ধরনের কথা বলে নিজেদের মধ্যে বিভ্রান্ত ছড়াচ্ছে।

এ বিষয় ঢাকা বিভাগীয় সাংগঠনিক টিমের প্রধান পার্থ মন্ডল বলেন, আড়াইহাজারে বিএনপিসহ ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের উপর হামলা হয়েছে। এ হামলার ঘটনাকে মূল প্রাধান্য দেয়া হয়েছে। কোন ব্যক্তিগত ভাবে কারও নাম প্রধান্য দেয়া হয়নি। নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি মোহাম্মদ উল্ল্যাহ তিনি সেখানে উপন্থিত ছিলেন এবং যে সকল ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা আহত হয়েছেন তাদের পদপদবী না থাকায় তার নাম উল্লেখ করে একটি বিবৃতি দেয়া হয়েছে।

উল্লেখকৃত, গত ১ই জুন সোমবার বিকেলে নারায়ণগঞ্জ আড়াইহাজার উপজেলা ফতেপুর ইউনিয়ন দক্ষিণ পাড়ায় এই ঘটনা ঘটে জানা গেছে। ফতেপুর দলের প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে ৩ দিনের কর্মসূচি ছিল উপজেলা বিএনপি’র সেক্রেটারী হাবিবুর রহমান হাবিব উদ্যোগে দ্বিতীয় দিনের কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি ছিলেন আজাদ কর্মসূচি শেষে নেতাকর্মীরা নিয়ে বাড়ি ফেরার পথে হঠাৎ করেই ছাত্রলীগ যুবলীগ সহ অর্ধশতাধিক লোকজন লাঠিসোটা নিয়ে হামলা করে এতে আজাদ সহ ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা আহত হন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Like us on Facebook