বুধ. অক্টো ২৮, ২০২০

দৈনিক আজকের বাংলাদেশ

সত্য প্রকাশে আপোষহীণ…

ধর্ষণ ঠেকাতে দেবরের লিঙ্গ কেটে দিলো ভাবী!

আজকের বাংলাদেশ রিপোর্ট:

আড়াইহাজারে মনির (৩০) নামে এক যুবক তার আপন বড় ভাইয়ের স্ত্রীকে (ভাবী) ধর্ষণ করতে গেলে ভাবী তার লিঙ্গ কেটে দিয়েছেন বলে খবর পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

শনিবার (৫ অক্টোবর) দিবাগত রাতে উপজেলার উচিৎপুরা ইউনিয়নের জাঙ্গালিয়া বুরুমদীপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় মনিরকে মুমূর্ষু অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার উচিৎপুরা ইউনিয়নের জাঙ্গালিয়া বুরুমদীপাড়া গ্রামের মৃত সাদেকুর রহমানের ছেলে তাজুল ইসলাম দীর্ঘ ৬ বছর ধরে দুবাই প্রবাসে রয়েছে। তার দুই সন্তানসহ স্ত্রী সুমাইয়া ঐ বাড়িতেই থাকে। সুমাইয়ার দেবর মনির দীর্ঘ দিন যাবত তার সাথে অনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়। শনিবার রাতে সুমাইয়া ঘুমন্ত অবস্থার তার ঘরে প্রবেশ করে মনির। পরে সুমাইয়াকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করার চেষ্টা চালায়। আর মনিরের আচরণে সুমাইয়া আগে থেকে প্রস্তুতি নিয়ে রাখে। পরে মনির সুমাইয়াকে ধর্ষণ করতে চাইলে সুমাইয়ার হাতে থাকা ধারালো ব্লেড দিয়ে মনিরের পুরুষাঙ্গ কেটে দেয়। এমন ঘটনাটি জানতে পেরে বাড়ির লোকজন দ্রুত মনিরকে প্রথমে আড়াইহাজার উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে যায়। পরে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করে।

আড়াইহাজার উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. মনিরুজ্জামান জানান, লিঙ্গটি দেড় থেকে ২ সেন্টিমিটার পরিমাণ কাটা গেছে এবং প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়েছে। তাকে এ হাসপাতালে আনা হলে অবস্থা খারাপ হওয়ায় আমরা তাকে ঢাকায় প্রেরণ করি।

এদিকে প্রবাসীর স্ত্রী সুমাইয়া জানান, আমার দেবর আমাকে দীর্ঘ দিন ধরে উত্যক্ত করে আসছে। আমি বাধ্য হয়ে এই কাজ করছি।

স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য মো. আলমগীর হোসেন জানান, এ ধরণের ঘটনা শুনে দ্রুত তাদের বাড়িতে ছুটে যাই এবং এলাকায় কোন ধরণের অঘটনের ঘটনা যাতে না ঘটে সেভাবে পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। আর ওই নারীকে নজরদারিতে রাখা হয়েছে।

আড়াইহাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজরুল ইসলাম জানান, এ ব্যাপারে কোন লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। তারপরও ঘটনার খোজখবর নিয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Like us on Facebook