সোম. সেপ্টে ২১, ২০২০

দৈনিক আজকের বাংলাদেশ

সত্য প্রকাশে আপোষহীণ…

নারায়ণগঞ্জে লাখপতি বাবু-সুমন, ধ্বংস যুব সমাজ!

আজকের বাংলাদেশ রিপোর্ট:-

করোনা ভাইরাসের প্রকোপে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চাপ নেই। সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে ইয়াবা বিক্রির মাধ্যমে লাখপতি হয়ে যাচ্ছে নারায়ণগঞ্জ শহরের চিহ্নিত দুই মাদক ব্যবসায়ী বাবু ও সুমন। অন্যদিকে ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে যুবসমাজ।

শহরের প্রতিটি অলিগলি ও রাস্তা ফাঁকা। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ব্যস্ত করোনা ভাইরাস মোকাবেলায়। সেই সুযোগে বেপরোয়া হয়েছে উঠেছে নারায়ণগঞ্জ শহরের চিহ্নিত মাদক বিক্রেতারা। বিশেষ করে শহরের আমলাপাড়া এলাকায় বিভিন্ন গ্রুপের মাধ্যমে চলছে মাদক বানিজ্য। এসকল মাদক বিক্রেতারা বিভিন্ন সময় গ্রেপ্তার হয়েছে আইন শৃঙ্খলা বাহীনির কাছে। ফের জামিনে এসে বেপরোয়া হয়ে উঠেছে তারা।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, শহরের আমলাপাড়া এলাকায় কালুর ছেলে সুমন, ইয়াকুবের ছেলে বাবু ওরফে ইয়াবা বাবু ও সহকর্মীদের দিয়ে এলাকার বিভিন্ন স্থানে অবস্থান করে মাদক বিক্রি করে। জানা যায়, শহরের মাইছাপাড়া এলাকার কালু মিয়ার ছেলে সুমন। একাধিক মাদক মামলা আছে তার নামে। র‌্যাব-১১’র একটি টিম গত ১৫ জানুয়ারি রাতে সিরাজউদ্দৌলা সড়কে পান্ডে আলী মার্কেটের রেফ্রিজারেশন অ্যান্ড ওয়ার্কশপ নামক দোকানের সামনে পাকা রাস্তার উপর অভিযান পরিচালনা করে ৬০ পিস ইয়াবা ও মাদক বিক্রির ১৮ হাজার ২’শ টাকা সহ গ্রেপ্তার করে সুমন (৩০) নামের এই মাদক বিক্রেতাকে। এছাড়াও বিভিন্ন থানায় ৭টি মাদক মামলা রয়েছে তার নামে। তবে জামিনে এসে ফের শহরের আমলাপাড়াসহ বিভিন্ন স্থানে মাদক বিক্রয় করছে সে।

বাবু ওরফে ইয়াবা বাবু। এলাকার খুচরা বিক্রেতার মূলে রয়েছে এই বাবু। দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে মাদক নিয়ে শহরের বিভিন্ন স্থানে মোটর সাইকেল দিয়ে বিক্রি করে সে। আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর ভয়ে বাবু আমলাপাড়া এলাকার বিভিন্ন ভবনে অবস্থান করে তার লোকজন দিয়ে মাদক বিক্রি করেন বলেও জানা যায়। জানা গেছে, মাদক বিক্রির মাধ্যমে লাখ লাখ টাকার মালিক হয়ে গেছে শহরের শীর্ষ এই মাদক বিক্রেতা।

এলাকাবাসীর দাবি, আমলাপাড়া এলাকায় শহরের বিভিন্ন ব্যবসায়ী বসবাস করেন। তাদের ছেলে-মেয়ে শহরের বিভিন্ন স্কুল কলেজে পড়ালেখা করেন। এসব মাদক বিক্রেতাদের কারণে ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে যুবসমাজ। করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে পুলিশ প্রশাসন এখন খুবই ব্যস্ত। সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে চিহ্নিত মাদক বিক্রেতারা ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে। তাই অনতি বিলম্বে তাদের আইনের আওতায় এনে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া উচিৎ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Like us on Facebook