শুক্র. অক্টো ৩০, ২০২০

দৈনিক আজকের বাংলাদেশ

সত্য প্রকাশে আপোষহীণ…

বন্দরে আনিছ হত্যাঃ মামলার বাদীসহ পরিবারকে হত্যার চেষ্ঠা, আটক-২

নিজেস্ব প্রতিবেদক:

নারায়ণগঞ্জের বন্দরে সাবদী এলাকায় হাফেজ আনিছ হত্যার দায়েরকৃত মামলা তুলে না নেয়ায় আবারও মামলার বাদীসহ ভাই আশরাফুল ও মানিক কে পিটিয়ে হত্যার চেষ্ঠায় আটক করেছে দু’জনকে। ১৭ মে শুক্রবার রাতে মদনগঞ্জ ফাঁড়ির ইন্সেপেক্টর তারিকুল আলম জুয়েল সাবদী কলাবাগ নিজ বাড়ি থেকে জামান ও ১৮ মে শনিবার বেলা ১২ টার সময় সাবদী বাজার থেকে হারুন কে গ্রেফতার করে। এর আ গে গত ১৬ মে বৃহস্পতিবার রাতে অানিছ হত্যা মামলার মূল আসামী সাবদী কলাবাগ এলাকার মৃত দিদার মিয়ার ছেলে পারভেজ, হারুন মিয়া ও তার ছেলে সজল, আব্দুল আউয়াল মিয়ার ছেলে শাহ আলমসহ ১৩ জনের নাম উল্লেখ করে আশরাফুল ইসলাম বাদী হয়ে বন্দর থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়।

মামলা সূত্রে জানা যায়, বন্দরে সাবদী আইছতলা এলাকার হাজী আমানউদ্দিন মিয়ার ছেলে হাফেজ আনিছ কে ২ বছর আগে পরিকল্পিত ভাবে বাজারে হত্যা করে। যার প্রেক্ষিতে বন্দর থানায় একটি হত্যা মামলা করে। উক্ত মামলার আসামীরা দীর্ঘদিন জেল হাজত খেটে ৪ মাস পূর্বে জামিনে বের হয়ে আসে। পরে দায়েরকৃত হত্যা মামলা তুলে নেয়ার জন্য বাদী জামানসহ তার পরিবারকে বিভিন্ন ভাবে হত্যা হুমকি দিচ্ছে। তারই জের ধরে সাবদী বাজারে মিলনের মিষ্টির দোকানের সামনে উল্লেখকৃত বিবাদীরা সহ ৭/৮ জন সন্ত্রাসী লাঠিসোঁটা,দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে হামলা চালিয়ে গুরুতর জখম করে। ১নং বিবাদী পারভেজ হত্যার উদ্দেশ্যে তার হাতে ধারালো চাকু দিয়ে বাম কানের নিচে রক্তাত্ত জখম করে।

২ ও ৩নং বিবাদী একই উদ্দেশ্যে তার হাতে থাকা বাঁশ দিয়ে অাঘাত করে মাথা ও ডান কানের লতির নিচে জখম করে। ৪নং বিবাদী হাতে থাকা আঙ্গুলে ব্যবহৃত ৮ আনা স্বনের আংটি নিয়ে যায়। যার মূল্য ২৩ হাজার টাকা। পরে আমার মেজ ভাই মানিক ও ফুফাতো ভাই বাদল খবর পেয়ে ছুটে আসলে তাদের উপর ও লাঠিসোঁটা নিয়ে পিটিয়ে জখম করে। আমাদের ডাক চিৎকারে সাবদী বাজারে আশেপাশের লোকজন ও আমার বড় ভাই জামান খবর পেয়ে ছুটে আসলে উল্লেখকৃত বিবাদীরা অকথ্য ভাষায় গালি-গালাজ করে প্রাণ নাশের হুমকি দিয়ে চলে যায়। তখন অামাকে স্থানীয় ভাবে চিকিৎসা ব্যর্থ হয়ে ভিক্টোরিয়া জেনালের হাসপাতালের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হলে রাত ৮ টা ২০ মিনিটের সময় থানার খেয়াঘাটে মেরিন সংলগ্ন উল্লেখকৃত বিবাদীরাসহ অজ্ঞাত অারো ৮/১০ জন সন্ত্রাসীরা হামলা চালায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Like us on Facebook