মঙ্গল. আগ ১১, ২০২০

দৈনিক আজকের বাংলাদেশ

সত্য প্রকাশে আপোষহীণ…

বন্দরে মসজিদ কমিটির সভাপতি এবং সেক্রেটারীর অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করায় সমাজচ্যুত করার পায়তারা করছে ব্যবসায়ী ইকবালকে

আজকের বাংলাদেশ রির্পোট :-

নারায়ণগঞ্জ বন্দর উপজেলার মদনগঞ্জ ঘারমোড়া কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ কমিটির ভূয়া সভাপতি সেক্রেটারীর একতরফা নীতির প্রতিবাদ করায় সমাজচ্যুত করার পায়তারা করছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগে জানা যায়, এলাকার মৃত বোরহান উদ্দিনের ছেলে শিক্ষিত ব্যবসায়ী ও সমাজ উন্নয়নে সংগঠক ইকবাল হোসেন ঘারমোড়া কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ কমিটির সাবেক সদস্য। যেখানে সাবেক চেয়ারম্যান মাইনুদ্দিন আহম্মেদ সভাপতি ও আলী আজগর মাষ্টার সাধারন সম্পাদক পদে দায়িত্ব পালন করে আসছে। কমিটির মেয়াদ ২০১৮ ইং সালে শেষ হয়ে গেলে ও অদ্যাবধি নতুন কোন কমিটি গঠন করা হয়নি। গত কমিটির সভাপতি ও সাধারন সম্পাদক নিয়ম নীতির কোন তোয়াক্কা না করে তাদের সহযোগী কিছু সদস্যদের নিয়ে একতরফা নিজেদের মনগড়ামত কাজ করিয়েছে। সমাজ ভিত্তিক মসজিদ কবরস্থান ঈদগায়ের উন্নয়নের কথা বলে নামে বেনামে প্রাপ্য টাকা থেকে অসৎ উদ্দেশ্যে ক্যাশের টাকা আত্ব:সাৎ করে নিয়েছে। তাদের কাছ থেকে হিসাব চাওয়ার মত সমাজে কোন সৎ সাহসের ব্যাক্তি নেই। কারন সমাজে রয়েছে তাদের প্রচুর ক্ষমতা। সন্ত্রাসী, খুনি, চাঁদাবাজ, ধর্ষন, মাদক ব্যবসা গ্যাস চুরি থেকে শুরু করে ভূমিূদস্য পর্যন্ত এমন কোন লোক নেই যে তারা বিভিন্ন অপকর্ম করতে দ্বিধাবোধ করেনা। তাই পূর্বের কমিটির মেয়াদ শেষ হয়ে যাবার পরে ও কিছু মাদক ব্যবসায়ী ঘুষখোর আর ভূমিদস্যুদের নিয়ে ভূয়া কমিটি করে ক্ষমতার দাপট খাটিয়ে সমাজ পরিচালনা করে আসছে। তাদের এ ভূয়া কমিটির বিরুদ্ধে ইকবাল প্রতিবাদ করে। এবং নতুন কমিটি করে তাদের মাধ্যমে পূর্বের আয়- ব্যায় হিসাব নতুন কমিটির নিকট হস্তান্তর করতে অনুরোধ করে। তাতে ক্ষিপ্ত হয়ে যায় সভাপতি মাইনুদ্দিন ও আলী আজগর মাষ্টার । শুধু তাই নয় ইকবালকে সমাজের লোকদের মাঝে কোনঠাসা করে রাখতে বিভিন্নভাবে চক্রান্ত করে আলী আজগর মাষ্টার । এমনকি তাকে হত্যা সহ খুন গুম করে ফেলার জন্য হুমকি ধামকি দিয়ে আসছে। তাদের চক্রান্ত দিন দিন এতই চরম আকার ধারন করে যে গত ১৪/০৭/২০১৯ইং ইকবালকে সমাজচ্যুত করার একটি নোটিশ দেয়। নোটিশে কমিটির অন্য কোন সদস্যর স্বাক্ষর না থাকলে ও ভূয়া কমিটির সভাপতি মাইনুদ্দিন আর আলী আজগরের স্বাক্ষর পাওয়া যায়। আলী আজগর মাষ্টার সমাজে একজন আতংকিত ব্যাক্তি। তার দ্বারা এমন কোন জঘন্য কাজ নেই যা করা সম্ভব নয়। এর পূর্বে ও অবৈধ সম্পর্কের কারনে লোকলজ্জার ভয়ে এক মহিলাকে বিয়ে করতে বাধ্য হয়। মহিলার ঘরে তারই জন্মের এক কন্যা সন্তান থাকা সত্বে ও প্রথম স্ত্রীর ছেলে সন্তানদের ভয়ে তাদের অস্বীকার করে। স্বীকৃত দেয়নি সমাজে। ফলে মহিলা তার ভয়ে একমাত্র সন্তানকে নিয়ে কোন রকম দিনাতিপাত করছে। তবে বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে সমাজে বসবাস করা কোন ব্যক্তি গোষ্ঠিকে যদি ও সমাজচ্যুত করার কোন নিয়ম নেই। সেখানে সভাপতি সেক্রেটারী কোন ক্ষমতাবলে ইকবালকে সমাজচ্যুত করার পায়তারা করছে তা সমাজের নীরহ জনগন প্রশ্ন রাখছে। এ ব্যাপারে সভাপতি মাইনুদ্দিনের সাথে আলাপকালে তিনি জানান ইকবালকে সমাজচ্যুত নয়। আমাদের বিরুদ্ধে যাতে কোন কথা না বলে সেজন্য তাকে সতর্ক করতে একটি নোটিশ দিয়েছি। তাছাড়া তিনি আরো বলেন আমার সাথে তেমন কোন কিছু হয়নি। কথা কাটাকাটি হয়েছে সেক্রেটারী আলী আজগর মাষ্টারের সাথে। আলী আজগর আমাকে ফুসলিয়ে ইকবালের বিরুদ্ধে সমাজচ্যুত করার নোটিশে সাক্ষর করতে বলছে। তিনি আরো বলেন, সেক্রেটারী অনেক অনুনয় বিনয় করায় আমি তার স্বাক্ষরের চৌদ্দ দিন পর স্বাক্ষর করেছি। সভাপতি আরো বলেন আমিতো ইকবালকে বলেছি যে সেক্রেটারীর সাথে যাই হয়েছে তা আপোষ করে নিতে। সেক্রেটারী আলী আজগর মাষ্টার জানান, ইকবাল আমাকে জনসম্মুখে কমিটির হিসাব নিকাশের ব্যাপারে অপমান করেছে। তাই তার প্রতিশোধ নিতে আমি তাকে সমাজচ্যুত করতে নোটিশ দিয়েছি। এদিকে ইকবাল বলেন আমি ঘারমোড়া সমাজ কল্যান ক্লাবের দায়িত্বে নিয়োজিত। নিজের একটি কিন্ডারগার্ডেন স্কুল ও আছে। সমাজে অন্যায়কারীদের বিরুদ্ধে আপোষহীন। তাই তাদের দূর্নীতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করায় আমাকে সমাজচ্যুত করার পাঁয়তারা করছে আলী আজগর মাষ্টার সহ দূর্নীতিবাজরা। যারাই এসকল দূর্নীতির সাথে জড়িত তিনি তাদের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানান। সেই সাথে যারা তাকে সমাজচ্যুত করার পাঁয়তারা করছে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিবেন বলেও জানান।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Like us on Facebook