বৃহঃ. সেপ্টে ২৪, ২০২০

দৈনিক আজকের বাংলাদেশ

সত্য প্রকাশে আপোষহীণ…

সোনারগাঁয়ে মা-ছেলে আগুনে দ্গ্ধ হয়ে মৃত্যু, রহস্যময় বলে এলাকাবাসীর দাবী

আজকের বাংলাদেশ ডেস্ক:-

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার জয়রামপুর গ্রামের সোনারগাঁ উপজেলার অফিস সহকারী মিজানুর রহমানের ভাড়াটিয়া বানুরানী দাস (৪৫) ও তার কলেজ পড়ুয়া সন্তান অপূর্ব দাস (১৭) গত, ৭ জুন রবিবার সকালে তাদের ঘরে আগুনে পুড়ে মা-ছেলে দুজনেই মারাত্মকভাবে দ্গ্ধ হয়। এসময় প্রতিবেশি লোকজন আহতদের উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়।

মঙ্গলবার (৯ জুন) সকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজের নিবির পরিচার্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেছে বলে নিশ্চিত করেছে তার প্রতিবেশি। এর কয়েক দিন পরে ভাড়াটিয়া বানুরানী দাস (৪৫) তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থা ঢাকা মেডিকেল কলেজের মৃত্যু বরণ করে।

বাড়ির মালিক সোনারগাঁ উপজেলার অফিস সহকারী মিজানুর রহমান বলেন,ওনার ধারণা মোবাইল ফোন বিস্ফোরণে আগুন লাগে, অপূর্ব দাস (১৭) সকালে মোবাইল ফোন চার্জে দিয়ে কানে হেডফোন লাগিয়ে কথা বলার সময় বিদ্যুতায়িত হয়ে মোবাইল ফোন বিস্ফোরন ঘটে শরীরে আগুন লেগে যায়। এসময় মা বানুরানী সন্তানকে বাচাঁতে এগিয়ে এসে আগুন নিয়ন্ত্রের চেষ্টা কালে আগুন পুড়ে মা-ছেলে দুজনেই মারাত্মকভাবে দ্গ্ধ হয়। এসময় আহতদের উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয় পরে মা ও ছেলে দুইজন মৃত্যু বরণ করে।

কিন্তু সরেজমিনে জানা যায় এলাকা বাসি থেকে গত কয়েক মাস আগে ঘরে থাকায় রান্নার চুলার গ্যাস লাইন লিক থাকায় ভাড়াটিয়া বানুরানী দাস আগুনে পুড়ে দ্গ্ধ হয়।

নাম বলতে অনিচ্ছুক তিনি আরও জানান ভাড়াটিয়া গ্যাস লাইনে মেরামত করতে বললে সোনারগাঁ উপজেলার অফিস সহকারী মিজানুর রহমান তিনি গ্যাস লাইন মেরামতের কাজ করেন নাই তিনি,এলাকা বাসিরা আরও জানান গ্যাস লাইন লিক থাকায় এই অগ্নিয় কান্ড ঘটনাটি গঠতে পারে বলে ধারণা করছে প্রতিবেশি এবং প্রতিবেশি আরও ধারণা যে এই অগ্নিয়কান্ড ঘটনাটি রহস্য জনক।

ঘরের সব ধরনের আসবারপত্র আগুনে পুড়ে গেলো একটি ঘড়ে দুইটি মানুষ আগুনে পুড়ে মারাত্মকভাবে দ্গ্ধ হয়ে শেষ পযর্ন্ত মৃত্যু, বাড়ীতে আরও কয়েকজন ভাড়াটিয়া ও মালিকের পরিবার থাকার পর, কেনো তারা কেউ চেষ্টা করলা না আগুন নিভানোর এবং তাদের বাঁচানোর একি শুধুই দূর ঘঠনা নাকি পর্ব পরিকল্পনা তাই এখন পর্যন্ত রহস্যময় সাতদিন কেটে গেলো, এখনো কেউ জানতে পারলোনা কি করে গঠলো এই অগ্নিকান্ড পরক্ষণে সোনারগাঁ ফায়ার সার্ভিসের অফিসার সুজন কুমার হাওলাদারের সাথে যোগাযোগ করা হলে বেড়িয়ে আসে কিছু চাঞ্চল্যকর তথ্য, তিনি বলেন আমাদের কোনো সদস্য ঘটনার দিন ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলো না।

এমনকি থানায়ও কোনো রিপোর্ট দেয়া হয়নি। তবে ঘটনার দিন অচেনা নাম্বার থেকে ফোন আসলে অগ্নিকাণ্ডের কথা বলে ঘটনাস্থলে যাওয়ার জন্য বলা হয়, তার কিছুক্ষণ পরেই পুনরায় একই নাম্বার থেকে ফোন করে বলা হয় ইতিমধ্যে আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে চলে এসেছে। তাই ফায়ার সার্ভিস টিমও ঘটনাস্থলে না গিয়ে পুনরায় ফায়ার স্টেশনে চলে আসে।

সোনারগাঁ থানার অফিসার ইনচার্জ মনিরুজ্জামান বলেন,ঘটনার দিন থানা থেকে ফোর্স পাঠানো হয়েছিলো এবং তারা পরিদর্শন করে দুর্ঘটনা বলে ধারনা করে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Like us on Facebook