শুক্র. এপ্রি ১৬, ২০২১

দৈনিক আজকের বাংলাদেশ

সত্য প্রকাশে আপোষহীণ…

বন্দরে প্রবাসী স্ত্রী রিতার ঝুলান্ত লাশ উদ্ধার । স্বজনদের দাবি হত্যাকান্ড

আজকের বাংলাদেশ রির্পোট :-

বন্দরে প্রবাসী স্ত্রী রিতা আক্তার (২৪)এর ঝুলান্ত লাশ উদ্ধার করেছে বন্দর থানা পুলিশ। নিহত গৃহবধূর স্বজনদের দাবি পারিবারিক কলহের জের ধরে ১ সন্তানের জননীকে পরিকল্পিত ভাবে হত্যার পর ফাঁসিতে ঝুলিয়ে রেখে আত্মহত্যা বলে প্রচার চালায় শ্বশুড় বাড়ি লোকজনরা। গত সোমবার রাতে বন্দর থানার কলাগাছিয়া ইউনিয়নস্থ জাহাঙ্গীরনগর এলাকায় এ ঘটনাটি ঘটে। সংবাদ পেয়ে মঙ্গলবার সকালে বন্দর থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে এসে ঝুলান্ত অবস্থায় গৃহবধূর মৃতদেহ উদ্ধার করে মর্গে প্রেরণ করেছে। এ ব্যাপারে নিহত গৃহবধূর বড় ভাই হৃদয় বাদী হয়ে বন্দর থানায় মামলা দায়ের করেছে।

এ ব্যাপারে নিহত গৃহবধূর চাচা আল-আমিন সাংবাদিকদের জানান, গত ৭ বছর পূর্বে কলাগাছিয়া ইউনিয়নের জাহাঙ্গীরনগর এলাকার মৃত কাশেম আলী ছেলে সৌদিআরব প্রবাসী স্বপন মিয়ার সাথে একই ইউনিয়নের ঘারমোড়া এলাকার আমার বড় ভাই রুহুল আমিন মিয়ার মেয়ে রিতা আক্তারের ইসলামি শরিয়ত মোতাবেক বিয়ে হয়। বিয়ের পর তাদের সংসারে আবু রায়হান (৫) নামে এক ছেলে সন্তান রয়েছে।

স্বামী স্বপন মিয়া প্রবাসে জীবন যাপন করার সুবাদে তার স্ত্রী রিতা আক্তারের সাথে পারিবারিক বিষয় নিয়ে প্রায় সময় দেবর আপন ও জা আফসানা, ভাসুর সাইফুদ্দিন ও একই এলাকার লাল মিয়ার ছেলে সাহাদাত হোসেনের সাথে ঝগড়াঝাটি হয়। এর ধারাবাহিকতায় গত সোমবার রাতে পারিবারিক বিষয় নিয়ে উল্লেখিতদের সাথে ১ সন্তানের জননী রিতা আক্তারের আবারও ঝগড়া হয়। এক পর্যায়ে পাষান্ড দেবর, ঝাল, ভাসুর মিলে সোমবার রাতে যে কোন সময়ে পরিকল্পিত ভাবে রিতা আক্তারকে হত্যার পর ঘরের সিলিং ফ্যানের সাথে ওড়না দিয়ে লাশ ঝুলিয়ে রেখে পালিয়ে যায়। পরে মঙ্গলবার সকালে হত্যাকান্ড ঘটনাটি আত্মহত্যা বলে এলাকায় ও পুলিশের কাছে প্রচার করার চেষ্টা চালায়।

এ ব্যাপারে বন্দর থানার উপ-পরির্দশক হামিদুল জানান, সংবাদ পেয়ে আমরা দ্রুত ঘটনাস্থলে এসে ফাঁস লাগানো অবস্থায় গৃহবধূর লাশ উদ্ধার করি। পরে মৃত দেহের সুরুত হাল রির্পোট শেষে ময়না তদন্তের জন্য লাশ দুপুরে নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করা হয়। ময়না তদন্তের রির্পোটের জন্য আমাদের অপেক্ষা করতে হবে। রির্পোট না আসা পর্যন্ত বলা যাচ্ছে না হত্যাকান্ড না আত্মহত্যা। বিষয়টি আমরা তদন্ত করে দেখছি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Like us on Facebook