বৃহঃ. আগ ১৩, ২০২০

দৈনিক আজকের বাংলাদেশ

সত্য প্রকাশে আপোষহীণ…

মাদক নির্মূলের পাশাপাশি নারী নির্যাতনকারীদের বিরুদ্ধে কাজ করে যাচ্ছে – এস আই আনোয়ার

আজকের বাংলাদেশ রির্পোট :-

নারায়ণগঞ্জ বন্দর থানা অন্তর্ভূক্ত কামতাল পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের দায়িত্বে নিয়োজিত উপ-পরিদর্শক (এস আই) আনোয়ার। সন্ত্রাসী মাদক ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে অপরাধ জগতের যম। হাসি সাদামাটা একজন পুলিশ অফিসার। গত পাঁচ বছর পূর্বে ও একই অবস্থানে চাকুরী করে গিয়েছে। কর্ম দক্ষতা আর নিরলস পরিশ্রমের ফলে মাননীয় পুলিশ সুপার তাকে আবারো কামতাল তদন্ত কেন্দ্রের দায়িত্বভার অর্পন করেন। কখনো থানায় আবার কখনো সুনামের সহিত আদর্শ আর ন্যায় নীতির মাধ্যমে চাকুরী করে যাচ্ছেন। কখনো অন্যায়ের নিকট মাথা নত করেনি এস আই আনোয়ার। তার বলিষ্ট দায়িত্বের কারনে এলাকার অনেক সন্ত্রাসী চাঁদাবাজ মাদক ব্যবসায়ী গা ডাকা দিয়েছে। অনেকে আবার চিরতরে ছেড়ে দিয়ে তওবা করে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায়ের মাধ্যমে আলোর জগতে ফিরে এসেছে। এক সময় মালিভিটা কামতাল এলাকায় ছিলো জুয়ার আড্ডা খানা। হালুয়াপাড়া ছিল মাদকের স্পট। গকুলদাসেরবাগ ফেন্সি কবিরের ছিল মাদকের সাম্রাজ্য। লাঙ্গলবন্দ এলাকায় হাত বাড়ালেই পাওয়া যেত মাদক। কেওঢালা এলাকায় গোপনে চলে আসত মাদকের চালান। এদের মধ্য আবার অনেকেই ক্ষমতাশীল ব্যাক্তির ভাই ভাগ্নে ছিল। এ সকল জুয়া আর মাদক ব্যবসায়ীদের আইনের আওতায় এনে অনেকটাই মাদকমুক্ত করতে পেরেছেন এস আই আনোয়ার। তাছাড়া এক সময় পিচ কামতাল এলাকা ছিল ভূমিদস্যু আর নেশার আড্ডা। উঠতি বয়সি মাদকসেবীদের কারনে স্কুল পড়ুয়া শিক্ষার্থীরা নিরাপদে বিদ্যালয়ে যেতে পারতনা। ধ্বংস হয়ে যাচ্ছিল যুব সমাজ। তাদেরকে বুঝিয়ে খেলাধূলায় মনোনিবেশ করে মাদকমুক্ত করতে পেরেছেন এস আই আনোয়ার। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশ মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স দায়িত্ব পালন করতে সক্ষম হয়েছেন পুলিশের এই চৌকুস উপ-পরিদর্শক আনোয়ার। সেই সাথে সমাজের যারা অসহায় নারী যৌতুক লোভী স্বামী কর্তৃক নির্যাতিত তাদের প্রতি ও কঠোর সোচ্চার এস আই আনোয়ার। সমাজে সুবিধা বঞ্চিত অসহায় নির্যাতিত নারীদের প্রতি রয়েছে তার সহমর্মিতা মনোভাব। যেখানেই শুনতে পায় কোন নারী ধর্ষিত বা নির্যাতনের শিকার হয়েছে সেখানেই ছুটে চলেন তিনি। সে যত প্রভাবশালীই হোক আইনের আওতায় আনতে পিছ পা হননি। সমাজের অনেক ভদ্রবেশী ক্ষমতাবান লোক আছে যারা নারী নির্যাতনের সাথে জড়িত। তাদেরকেও আইনের আওতায় এনে বিচারের কাঠগড়ায় দাড় করিয়েছেন এই পুলিশ অফিসার। তার বলিষ্ঠ মনোভাবের ফলে আজ কামতাল তদন্ত কেন্দ্রের আওতাভূক্ত এলাকা মাদক আর জুয়া মুক্ত। তার এ সাফল্যর পিছনে রহস্য কি জানতে চাইলে তিনি আজকের বাংলাদেশ কে বলেন, এসবই মাননীয় প্রধান মন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে পালন করে যাচ্ছি। সেই সাথে তিনি মাননীয় পুলিশ সুপার হারুন অর রশিদকে ধন্যবাদ জানান। ধন্যবাদ জানান বন্দর থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রফিকুল ইসলামকে। কারন তাদের একান্ত সহযোগীতায় তিনি কঠোর হস্তে মাদক জুয়া ইভটিজিং আর নারী নির্যাতনকারীদের প্রতিহত করতে পারছেন। পাশাপাশি এলাকার জনপ্রতিনিধিদের ও ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন আইনের উর্দ্ধে কেউ নয়। মাদক জুয়া আর নারী নির্যাতনকারী সে যেই হোক আমার নিকট কোন ছাড় নেই। সেই সাথে এসকল অন্যায়কারীদের ব্যপারে তথ্য দিয়ে সহযোগীতা করার জন্য তিনি সকলের সহযোগীতা কামনা করেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Like us on Facebook